চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বাড়ির পাশে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচার লাঠির আঘাতে ফরিদুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় একাধিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
নিহত ফরিদুল ইসলাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের মৃত আবু হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পীরপুরকুল্লা গ্রামে বাড়ির পাশে ময়লা ফেলা নিয়ে ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর চাচা দুলালের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় দুলাল বাঁশের লাঠি দিয়ে ফরিদুলের মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
লাঠির আঘাতে ফরিদুল গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে বিরোধের সূত্রপাত হিসেবে বাড়ির পাশে “ছেঁড়া কাপড় বা কাপড়ের নেকড়া ফেলার” বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাড়ির পাশে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।