মোঃ শাহিন আলম সহকারী কমিশনার (ভূমি), দামুড়হুদা  ও প্রশাসক, দর্শনা পৌরসভা হিসেবে ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ যোগদান করেন। তিনি ২ মাস দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং কয়েক দফায় জীবননগর এর ইউএনও, এসিল্যান্ড ও পৌর প্রশাসক এর দায়িত্বেও ছিলেন। ৮ মাস কর্মকালে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।

১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত দর্শনা পৌরসভার অফিসিয়াল  ওয়েবসাইট সম্প্রতি চালু করা হয়েছে। পৌরসভার কোন ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বিগত কয়েক দশক রেলগেট এলাকায় ময়লা ফেলা হয়। সম্প্রতি সেই ভাগাড় পরিষ্কার করা হয়েছে এবং দর্শনা-মুজিবনগর সড়কের পাশে ডাম্পিং স্টেশন নির্মান প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। 

সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে  কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছেন।

পৌর কর্মচারীদের দীর্ঘ দিনের বকেয়া বেতন-ভাতা এবং বকেয়া ৬০ লাখ বিদ্যুৎ বিলের ২৫ লাখ পরিশোধ করেছেন।

অনুদান ও সহায়তা খাতে ৩ লক্ষাধিক টাকা বিতরণ করেছেন।

অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করার পাশাপাশি রাস্তাঘাট, ড্রেন সংস্কার, ডাস্টবিন স্থাপন, মশক নিধন, হাম টিকা ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পড়াশোনা ও খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৬’ এ দর্শনা পৌরসভার ক্রীড়াবিদরা প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছে। 
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মাদক, ভেজাল খাবার, মাটি কাটা, সার, তেল মজুদ, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ অন্যান্য বিষয়ে দেড় শতাধিক অভিযান পরিচালনা করেছেন। তার নেতৃত্বে ছডাংগা মাঠে মাটি কাটা প্রতিরোধে এক যুগ পর অভিযান পরিচালিত হয়।

ভূমি সেক্টরেও  ঈর্ষনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন মানবিক এই কর্মকর্তা।  চুয়াডাঙ্গায় নামজারি সূচকে দামুড়হুদার অবস্থান প্রথম। সরকারি রাজস্ব আদায়  বৃদ্ধিতে কার্পাসডাঙ্গা ও নাটুদাহে বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছেন।

কার্পাসডাংগা আশ্রয়নে হতে কয়েক বছর ধরে বিতাড়িত এক অসহায় নারীর ঘর উদ্ধার করেছেন সম্প্রতি।

উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবন নির্মাণ ও পুরাতন ভবন সংস্কার করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে শাহিন আলম  বলেন, ‘দায়িত্বের পরিসর ও কর্মঘণ্টা হিসেবে দামুড়হুদা অদ্যাবধি সবচাইতে কর্মবহুল স্টেশন।  কর্কটক্রান্তি রেখার নিচে অবস্থিত এ জনপদের জন্য স্বচ্ছতা ও উন্নয়ন এর কিছু ছাপ রেখে যেতে চাই।’