ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে রাজধানী তেহরানে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। সরকারি কর্মসূচি শুরুর আগেই হাজারো মানুষ প্রার্থনা হলের বাইরে অবস্থান নেন।
অনেকেই আশা করেছিলেন, রাতেই প্রবেশের দরজা খুলে দেওয়া হবে। সেই আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন তারা। জানাজায় এক কোটিরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে বলেন, “আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা যেমন কষ্টের, তেমনি আমাদের কাছে মধুরও।”
উপস্থিত অনেকেই বলেন, খামেনি দেশের জন্য যে অবদান রেখে গেছেন, তার তুলনায় কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা কোনো বিষয়ই নয়।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, “তাকে বিদায় জানাতে কোনো ধরনের কমতি রাখা উচিত নয়।”
আরেক শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, “১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কিছুই না। মনে হচ্ছে, যেন নিজের পরিবারের একজন সদস্যের জানাজায় অংশ নিচ্ছি।”
খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তেহরানে এসেছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
