ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অপহরণ করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষনের ঘটনায় অপহরণকারী রিফাত পারভেজ শাওনকে-(২৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব-৯-এর-সিপিসি-১-ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং র্যাব-৬-এর সিপিসি-২-ঝিনাইদহের সদস্যরা গত সোমবার রাতে ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার দোয়েল চত্বর মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো র্যাব-৯-সিলেট অফিসের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে।
গ্রেপ্তারকৃত রিফাত পারভেজ শাওন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার বড়ইছরা গ্রামের কামাল পারভেজের ছেলে।
এর আগে চলতি বছরের ১২ জুন দুপুরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে।
র্যাবের প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,সরাইল উপজেলার অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাব দেয়াসহ বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করত রিফাত পারভেজ শাওন। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ১৪ মে সকাল ১০টায় স্কুলে যাওয়ার পথে রিফাত পারভেজ শাওন ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সিএনজিযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
পরে ঢাকার মিরপুর এলাকায় একটি বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে।
রিফাত পারভেজ শাওন ভিকটিমের বয়স ১৮ বৎসর হওয়ার পর বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দিবে বলে অঙ্গীকার করে। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর রিফাত পারভেজ শাওন ভিকটিমকে বিয়ে করবেনা বলে হুমকি দেয়।
পরে এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা গত ১৪ আগষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৩।
সরাইল থানায় মামলা দায়েরের পর র্যাব-৯-এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা খবরের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এবং র্যাব-৬-এর সদস্যরা গত সোমবার রাতে ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার দোয়েল চত্বর মোড় এলাকায় অভিযান রিফাত পারভেজ শাওনকে গ্রেপ্তার করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত রিফাত পারভেজ শাওনকে সরাইল থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
