সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানেই অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করা বাংলাদেশ ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পেয়েছে।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতে পাকিস্তান ২১ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামলেও শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় সফরকারীরা। বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ প্রথম চার ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে চাপ তৈরি করেন। ওপেনার আবদুল্লাহ ও অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান আওয়াইস দ্রুত বিদায় নিলে পাকিস্তানের টপ অর্ডারে অস্থিরতা দেখা দেয়।

Advertisement

এরপর স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ আঘাত হেনে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারকে চাপে ফেলেন। অধিনায়ক শান মাসুদ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ২১ রান করে বিদায় নেন। শর্ট কাভারে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন বাবর আজম। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত সিঙ্গেল ও বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। তিনি ৬৮ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন।

এই ইনিংসের মাধ্যমে বাবর টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন। একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ডব্লিউটিসি) তার অর্ধশতকের সংখ্যা দাঁড়ায় ২০-এ, যা তাকে স্টিভ স্মিথ ও জ্যাক ক্রলির সঙ্গে যৌথভাবে অন্যতম শীর্ষ ব্যাটারদের কাতারে নিয়ে গেছে।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন নাহিদ রানা। তিনি ৬০ রানে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া তাসকিন ও মিরাজও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস বড় হতে দেননি।

প্রথম ইনিংসে লিড পাওয়ায় ম্যাচে এখন কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে সিলেটের উইকেটে ব্যাটিং ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে বলে ধারণা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা। দ্বিতীয় ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে তুলতে পারলে স্বাগতিকদের ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।