আগামী ২৩ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে প্রার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা গেছে। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা জোরালো প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমর্থন চাইছেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেল থেকে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এডভোকেট রাইসুল ইসলাম। একই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এডভোকেট নুরুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মমরুজুল হাসান জুয়েল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্যানেল নেতৃবৃন্দ আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন পুরো প্যানেলকে বিজয়ী করেন। তাদের মতে, এতে আইনজীবীদের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
এডভোকেট রাইসুল ইসলাম রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনে একজন সক্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন নিবেদিত সদস্য এবং ময়মনসিংহ জেলা জিয়া পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রদলের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
সহকর্মীদের মতে, বিগত সময়ে রাজনৈতিক কারণে তিনি বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি পিছিয়ে না গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোতে সাহসিকতার সঙ্গে আইনি সহায়তা প্রদান করেছেন।
আইনজীবীদের অভিমত
প্রায় অর্ধ শতাধিক আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এডভোকেট রাইসুল ইসলামকে একজন সৎ, বিনয়ী ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেন। অনেকেই তাকে সাদা মনের মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার মধ্যে অহংকার বা প্রতিহিংসা নেই এবং তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।
সমর্থক আইনজীবীরা আশা করছেন, এডভোকেট রাইসুল ইসলামসহ পুরো প্যানেল বিজয়ী হলে আইনজীবী সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষ সহজে আইনি সহায়তা পাবে।
উল্লেখ্য, এডভোকেট রাইসুল ইসলাম সাম্প্রতিক জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাজপথে থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে তার সমর্থকরা জানান। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দ সকল ভোটারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এডভোকেট রাইসুল ইসলামসহ পুরো প্যানেলকে ভোট দিয়ে একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক আইনজীবী সমাজ গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেন।