‎সততা, ত্যাগ আর ভালোবাসার এক উদাহরন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সফল সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান। রাজপথে থেকে নোয়াখালীর সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে অসংখ্য মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তাঁর উপস্থিতিই জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে । একসময় নোয়াখালী সদর উপজেলার ৭নং ধর্মপুরের ইউনিয়নের পরিচ্ছন্ন চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার মানুষের সেবা করেছেন। বর্তসানে সদর বাসী তাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায়।

‎আসন্ন নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন ক্রমশ সরগরম হচ্ছে । এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি কেড়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজপথের লড়াকু সৈনিক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান।

‎বিগত দিনের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাঁর সাহসী ও অগ্রণী ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

‎​স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গন সূত্রে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক আপসহীন কণ্ঠস্বর।  মেধা, সাহসিকতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাই তার আজকে এ উত্থান।  রাজপথের আন্দোলনের পরিশ্রম আর ত্যাগের কারনে তিনি দ্রুতই নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকায় চলে আসেন। বিশেষ করে সৈরাচার আওয়ামী লীগ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সাধারণ মানুষের শিক্ষার অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি সবসময় রাজপথে প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

‎​বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মতে, যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ অথচ জোরালো কর্মসূচির মাধ্যমে গণমানুষের দাবি তুলে ধরতে তিনি কখনো পিছুপা হননি। তাঁর এই আপসহীন ও সাহসী নেতৃত্ব নোয়াখালীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে গভীর এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

‎​এলাকার তরুণ ও যুবসমাজের বড় একটি অংশ অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের নেতৃত্বের প্রতি দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ। তরুণদের সচেতন, সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করতে তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

‎স্থানীয় যুবসমাজের প্রতিনিধিরা জানান, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, বরং তরুণদের অধিকার ও কর্মসংস্থানের দাবির পক্ষে সবসময় সোচ্চার এক অভিভাবক।

‎​নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা এমন একজন নেতৃত্ব খুঁজছেন যিনি সুখে-দুঃখে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন এবং যাঁর অতীতে রাজপথে জণগণের জন্য লড়ার বাস্তব প্রমাণ রয়েছে। এই মাপকাঠিতে অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান অনেকটাই এগিয়ে আছেন বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

‎​নিজের প্রার্থীতা ও বিগত দিনের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, “আমি ছাত্রজীবন থেকে জনগণের অধিকার আদায়ের রাজনীতি করে আসছি। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নোয়াখালীর সাধারণ মানুষের আবেগ ও দাবিকে ধারণ করার চেষ্টা করেছি। জনগণের সেবা করা এবং নোয়াখালী সদর উপজেলাকে একটি উন্নত, বৈষম্যহীন ও মাদকমুক্ত আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, অতীতে যেভাবে মানুষ আমাকে রাজপথে পাশে পেয়েছে, আগামীতেও সদর উপজেলার সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমি তাদের পাশে থাকতে পারব।

‎​এদিকে বিএনপি একটি বৃহৎ দল ও বর্তমান ক্ষমতাসীন হওয়ায় সদর উপজেলায় একাধিক  চেয়ারম্যান  প্রার্থী থাকলেও অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের পক্ষে গণজোয়ার  দৃশ্যমান । রাজপথের এই পরীক্ষিত নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা আরও বেগবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা নোয়াখালী সদর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের।