ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা থেকে গ্রেপ্তারের পর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে থাকা এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

মৃত ব্যক্তির নাম মির্জা ইস্তিয়াক আহমেদ প্রান্ত। তিনি স্থানীয়ভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মধুখালী এলাকা থেকে প্রান্তকে গ্রেপ্তার করে। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “ডিবি পুলিশ প্রান্তকে গ্রেপ্তার করে আনার পর তিনি অসুস্থতা অনুভব করেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তিনি মারা যান।”

পুলিশ সুপার আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে এবং একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে, প্রান্তের মৃত্যুতে তার পরিবার, স্বজন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সহকর্মীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তসহ তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।