‎‎নোয়াখালীর উপকূলীয় হাতিয়া ও সুবর্ণচর এলাকায় মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাজার, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। উপকূলের এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং ভাঙন প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত জরুরি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

‎রোববার (১৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার ভাঙনকবলিত উপকূলীয় এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ সব কথা জানান।

‎​পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে টিকে আছে। ঝড়, বন্যা আর নদীভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের নিত্যসঙ্গী। আমরা আজ সরেজমিনে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন প্রত্যক্ষ করলাম। চোখের সামনে স্কুল, বাজার ও মানুষের বসতভিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের এই দুর্দশা লাঘবে এবং তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভাঙন প্রতিরোধে আমরা ইতিমধ্যে জরুরি কাজ হাতে নিয়েছি।
‎​সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী ভাবমূর্তির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে জনগণের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষায় সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দ্রুতই এর সুফল পাওয়া যাবে।

‎​পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোস,শহিদুল ইসলাম কিরন,সাবের আহমেদ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।