গাইবান্ধায় পেপার প্লেট তৈরির কাঁচামাল সরবরাহের কথা বলে এক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেওয়ার পর এক কথিত ব্যবসায়ীর যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী উদ্যোক্তা গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী রেজাউন্নবী রাজু গাইবান্ধায় একটি ছোট মেশিন স্থাপন করে পেপার প্লেট উৎপাদন শুরু করেছেন। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে তিনি যোগাযোগ করছিলেন। এ সময় ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা বোরহানউদ্দিন ওরফে আকাশ ওরফে কাওসার আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার ব্যবসায়িক যোগাযোগ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রেজাউন্নবী রাজুর অভিযোগ, ব্যবসায়িক আলোচনার একপর্যায়ে পেপার প্লেট তৈরির কাগজ সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হয়। ওই আশ্বাসের ভিত্তিতে গত ৯ সেপ্টেম্বর তিনি বোরহানউদ্দিনের কথিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাঠান।

অভিযোগ অনুযায়ী, গাইবান্ধা পূবালী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে আরটিজিএসের মাধ্যমে ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের ব্র্যাক ব্যাংক শাখায় ‘জেবি প্রিন্ট সলিউশন’ নামে একটি হিসাবে ওই টাকা পাঠানো হয়। টাকা পাঠানোর পর থেকেই বোরহানউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন রেজাউন্নবী।

এ ঘটনায় তিনি বোরহানউদ্দিন ওরফে কাওসার আহম্মেদের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন।

অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের একটি ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকায় অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।