ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে প্রায় ৩২০ কোটি টাকার মাছ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। রবিবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে আখাউড়ায় মৎস্য উৎপাদনের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ি, বিগত অর্থ বছরে আখাউড়া দিয়ে ১০ হাজার ১৪৬ দশমিক ৬১০ মেট্রিক টন মাছ বরফায়িত মাছ রপ্তানি হয়। মাছ রপ্তানি করে দুই দশমিক ৫৮ কোটি ইউএস ডলার আয় হয়েছে। রাজস্ব আদায় হয় ১৬ দশমিক ২৭ লাখ টাকা।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মুনসুর মিশন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তামান্না ইসলাম. মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, বিএনপি নেতা খন্দকার মো. বিল্লাল হোসেন, হাজি জালাল উদ্দিন, শওকত হোসেন খান, একাডেমিক সুপারভাইজার কফিল উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় তিনজন সেরা মৎস্য চাষীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর আগে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, আখাউড়ায় দুই হাজার ৩৬৮টি পুকুর, ৫৮.৭৬ হেক্টরের তিনটি নদী, ২৪ হেক্টরের তিনটি খাল, ১৬৫ হেক্টরের ১৩টি বিল, ১৪০০ হেক্টরের প্লাবনভূমি রয়েছে। বিগত অর্থ বছরে ৫৪৩৫ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। মাছের মোট চাহিদা ৩৯৬০ মেট্রিক টন। উদ্বৃত্ত মাছের পরিমান ১৭৪৫ মেট্রিক টন। এসব মাছ আশেপাশের এলাকায় বিক্রির পাশাপাশি ভারতে রপ্তানি হয়। উপজেলায় মোট মৎস্যচাষীয় সংখ্যা ২১২৫ জন ও নিবন্ধিত জেলে ২০২৮ জন।