ভোলার মনপুরায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু মুছা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. গিয়াসউদ্দিন তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান তাওহীদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আকাশ সমদ্দার, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ হোসেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. শাহে আলম।

এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ডা. কামাল উদ্দিন, সহসভাপতি মো. আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, সদস্য মো. জামাল উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা, সদস্যসচিব মো. আব্দুর রহিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান, সদস্যসচিব মো. হোসেন হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের উদ্যোগে মনপুরায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রকৃত উপকারভোগীদের শনাক্ত করে তথ্যভিত্তিক ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে শুমারি পরিচালিত হবে।

আলোচনা সভায় সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের দায়িত্ব, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং মাঠপর্যায়ে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. আবু মুছা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। প্রকৃত অসহায় ও যোগ্য পরিবার যাতে এ সুবিধার আওতায় আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না।”

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করে একটি নির্ভুল, গ্রহণযোগ্য ও তথ্যসমৃদ্ধ উপকারভোগীর তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, শুমারি কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকৃত উপকারভোগীদের অন্তর্ভুক্ত করে স্বচ্ছ ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।