স্বনামধন্য গাইবান্ধা কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তামান্না তানজিলা প্রধানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবককেও হুমকি দিয়েছেন ওই শিক্ষক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষার্থীর বাবা সাইফুল ইসলাম ।
অভিযোগে সুত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম প্রধানের মেয়ে সিনথিয়া আক্তার শুচি গাইবান্ধা কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তামান্না তানজিলা গত ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার ওই শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন করেন। কান ও ঘাড়ে উপর্যুপরি চর থাপ্পড় দেওয়ায় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীকে আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় পরের দিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অভিযোগ দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক অসুস্থ শিক্ষার্থীর মা প্লাবন বেগমকে ৫ অক্টোবর বিদ্যালয়ে ডেকে নেন। পরে তিনি ‘তোমার মেয়ে কিভাবে এই স্কুলে পড়ে তা দেখে নেব’ বলে হুমকি দেন। এরপরও ওইদিন বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর বাসায় ফেরার পথে অসুস্থ শিক্ষার্থী সিনথিয়া আক্তার শুচির পথরোধ করে এবং উচ্চ স্বরে বলতে থাকে আমার নামে কি অভিযোগ করার আছে করিস।
অভিযুক্ত শিক্ষক তামান্না তানজিলা প্রধান শিক্ষার্থীর গালে চর থাপ্পড় দেয়ার কথা স্বীকার করেন।
এব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লক্ষণ কুমার দাশের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্তের জন্য এক সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের জন্য সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আরশাদ আলীকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।