যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ সহ ৬০টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এর বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তাদের তদন্তে উঠে এসেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ, কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং যুক্তরাজ্য থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে তদন্তে অন্তর্ভুক্ত আরও ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ইউএসটিআর-এর বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে বাণিজ্যিক ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র নতুন একটি বস্ত্র ও পোশাকনীতি প্রস্তাব করেছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে শুল্কের হার ও পণ্যের সীমা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে কার্যকর অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ আগামী ২৪ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
