পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সেনাবাহিনীর প্রতি জাতির আস্থা ও গর্ব গভীর ও সুদৃঢ়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সেনানিবাসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। পরে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং প্রীতিভোজে অংশ নেন।
সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত।”
তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলা, জননিরাপত্তা এবং জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় বাহিনীর অবদান জাতি দীর্ঘদিন স্মরণ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ইউনিটের সৈনিক লাইন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরে অফিসার, জেসিও ও সৈনিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং তাদের সঙ্গে জোহরের নামাজ আদায় করেন।
এর আগে সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেনানিবাসে তার উপস্থিতি ও সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।