এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে ওই শেয়ারগুলো তিন মাসের জন্য অবরুদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১৪ক ও ১৪খ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত শেয়ার ধারণ ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। পাশাপাশি আইনের ১৪ক(৩) ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত শেয়ার বাজেয়াপ্তে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

একটি রিটের শুনানি শেষে গত ৩০ আগস্ট বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মো. লুৎফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ ও রুল জারি করেন।

ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার ইসলামিক ইকনোমিক রিসার্চ ব্যুরো (আইইআরবি) এ রিট দায়ের করে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আবেদনকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আইনজীবী জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো একক পরিবার বা গ্রুপ কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারে না। রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করছে।

আবেদনকারীর দাবি, আইন নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত শেয়ার বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। অন্তর্বর্তী আদেশের অংশ হিসেবে হাইকোর্ট ওই ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার তিন মাসের জন্য ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।