মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং এলাকার আখ চাষি ফয়েজ উদ্দিনের জমিতে আখ রোপণ করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সুগার মিল কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে পঞ্চগড় সুগার মিল গেইট এলাকায় আখচাষী হাসিবের আখখেতে আখ রোপণের মাধ্যমে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন বিকেলে সেতাবগঞ্জ সুগার মিল এলাকার সুলতানপুরে মোঃ মিলনের আখখেতে এ আখ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।
রাজশাহী সুগার মিল হতে অনলাইনে যুক্ত হয়ে মিলের ২০২৬-২০২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামছুজ্জামান সুরুজ।
চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে এ সময় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ন কবীরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ বিএসএফআইসি’র টেকনিক্যাল সার্ভিস (টিএস) প্রধান কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক।
মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) আবু রায়হান জানান, একটা সময় আখ চাষ থেকে কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নিলেও ভালো দামের কারণে আবার তাঁরা আশাব্যঞ্জকভাবে আখচাষে ঝুঁকছেন। দিন দিন আমাদের আখ রোপণের পরিমাণও বাড়ছে। মিল জোন এলাকায় এবার আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার একর জমি। আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লক্ষ মেঃ টন, চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ৩শত মেঃ টন ও চিনি আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ।
মিল গেটে ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুমে প্রতি কুইন্টাল আখের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫১ টাকা। আর মন প্রতি দাম নির্ধারন করা হয়েছে ২৬০ টাকা।
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর বলেন, মিল জোন এলাকায় একযোগে ৫৭টি কেন্দ্রের ৯৬টি ইউনিটে আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা গত বছর সকল দিক বিবেচনায় চালুকৃত মিলগুলোর মধ্যে ২য় অবস্থানে ছিলাম। আশা করছি এবছর আমরা আরও ভালো করবো।