ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী মুর্শেদ খাদেম ১২ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

গত বুধবার রাতে উপজেলার শাহাজাদাপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মুর্শেদ খাদেম কোনাপাড়ার প্রয়াত ফরিদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে ইট দেয়ার শর্তে উপজেলার হরলাল দেবনাথের কাছ থেকে ষ্ট্যাম্পে লিখিত দিয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেছিলেন মুর্শেদ খাদিম। টাকা গ্রহণের পর ইট না দিয়ে হরলাল দেবনাথের সাথে নানা ধরনের তালবাহানা করতে থাকেন মুর্শেদ। এক পর্যায়ে এলাকা থেকে লাপাত্তা হয়ে যান। বাধ্য হয়ে ২০১৩ সালে হরলাল দেবনাথ মুর্শেদের স্বাক্ষর করা ষ্ট্যাম্প দিয়ে তার বিরূদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা করেন। এ মামলায় ২০১৪ সালে বিজ্ঞ আদালত মুর্শেদ খাদিমকে ৩ বছরের সাজা প্রদান করেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সাজাকে এড়াতে মুর্শেদ পালিয়ে থাকেন। ৩ বছরের সাজা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে মুর্শেদ দীর্ঘ ১২ বছর পালিয়ে থাকেন।

অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার রাত প্রায় ১০টার দিকে সরাইল থানার পুলিশ উপজেলার শাহজাদাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন।
এ ব্যাপারে মুর্শেদকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্বদানকারী সরাইল থানার এ.এস.আই আমান উল্লাহ বলেন, একটি মামলায় ১২ বছর আগে মুর্শেদ খাদেম সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিলো। বুধবার রাতে কৌশলে মুর্শেদকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।