উত্তরা ব্যাংক পিএলসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপিনাথপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার আরিফুল ইসলামের হত্যাকারীদেরকে দ্রæত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবিতে বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া (এবিবি) এর আয়োজনে বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির ডিজিএম মোঃ শরিফুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কৃষি ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা ইউসুফ শাম সোহেল, আল আরাফা ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা নেয়ামত উল্লাহ ও মাওলানা আনিস চৌধুরী, ইসলাসী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা মুফতি নজরুল ইসলাম, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা মিজানুল হক, ব্যাংক এশিয়া পিএলসির কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন ও মাহবুবুর রহমান, অগ্রনী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা শাফিউর রহমান, রূপালী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা মোফাজ্জল হক, সোনালী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা সহিবুর রহমান, জনতা ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তা হুসাইন আল ফারুক ও মিজানুর রহমান সুমন, এবি ব্যাংক পিএলসির আল মাসুদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুল ইসলামের হত্যাকারীদের দ্রæত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

উল্লেখ্য গত সোমবার রাতে কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর বাজারে ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম-(৪৫) কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে ঢাকায় নিয়ে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ মারা যান। নিহত আরিফুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পিংলু গ্রামের পূর্বপাড়ার মোঃ নিজাম উদ্দিনের ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

অভিযোগ উঠেছে, ব্যাংকের লোন নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপায় দুর্বত্তরা।

এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোঃ রাশেদ বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামীদেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।