কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি শিশুদের নিরাপত্তা এবং অভিভাবকদের সচেতনতার প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুন দুপুরে একটি মাদ্রাসা থেকে ছুটি শেষে বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফিরছিল শিশুটি। এ সময় একই এলাকার এক ব্যক্তি তাকে রাস্তার পাশের একটি ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। শিশুটি চিৎকার করলে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানানো হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং প্রশাসনের নজরে আসে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, যৌন সহিংসতা বা ধর্ষণচেষ্টার মতো অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার বিষয় নয়। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা এবং শিশুর শারীরিক ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুন নাহার বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এ ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়; বরং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজের সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তা দিচ্ছে।