ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় বাঁশাটি ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামে অনলাইনে জুয়ার টাকার ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থীকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার নাম আন্দালিফ আদনান রাফি। সে মুক্তাগাছা শহরের রেসিডেন্সিয়াল মডেল মাদ্রাসার ২য় শ্রেনীতে শিক্ষার্থী ও জমিনপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার (০৯ মে) দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার ০৮ মে নিখোঁজ হয় রাফি। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার দুপুরে পায়খানার ট্যাংকির ভেতর থেকে বস্তাবন্ধি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে খোকন নামে এক ব্যক্তিকে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মুক্তাগাছা উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়ার জমিনপুর গ্রামের জহিরুলের সঙ্গে একই এলাকার খোকন মিয়ার অনলাইনে জুয়া খেলার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। এই দ্বন্দ্বে শুক্রবার সন্ধ্যার সময় জহিরুলের ছেলে মাদ্রাসার ২য় শ্রেনীর শিক্ষার্থী আন্দালিফ রহমান রাফিকে পাখির বাসা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় যায় খোকন মিয়া। এর পর থেকে রাফিকে আর খোঁজে পায়নি তার পরিবার। শনিবার দুপুরে খোকনকে নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে বাড়ির লোকজন খোকনের বাড়ির পায়খানার মাটির তৈরি ট্যাংকির ভেতরে বস্তাবন্ধি রাফির লাশ দেখতে পায়। পরে সেখান থেকে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশু সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর তার লাশ বস্তায় ভরে পায়খানার ট্যাংকির ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে খোকন মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে । তাকে জিঙ্গাসাবাদ চলছে, পরে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।