২০২৭ সালের পবিত্র হজের চূড়ান্ত নিবন্ধনের সময় আজ শনিবার শেষ হচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৫ হাজার ৯১৮ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৫৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭০ হাজার ৮৬৪ জন রয়েছেন।

বাংলাদেশের জন্য ২০২৭ সালের হজে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। সে হিসাবে বর্তমানে ২ হাজার ৫৮২টি আসন খালি রয়েছে। তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ হাজার ‘আনপেইড ভাউচার’ থাকায় অর্থ পরিশোধ শেষ হলে প্রকৃত নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ফলে নির্ধারিত কোটার বাইরে ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী হজ পালনে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন। আজ শনিবার এসব আনপেইড ভাউচারের অর্থ জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবারের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের বিমান ভাড়া কমানো এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর কারণে এবার হজযাত্রীদের আগ্রহ বেড়েছে। অতিরিক্ত আগ্রহী হজযাত্রীদের সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় বাড়তি কোটা নিয়ে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সঙ্গে আলোচনা করে সৌদি আরবের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি আরবকে জানানো হবে। এরপর আবাসন ব্যবস্থাপনা, সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ, টিকা ও প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রস্তুতি শুরু হবে। তবে সৌদি আরবের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী নিবন্ধন করা হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

আগামী নভেম্বরে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের হজ চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই আলোচনায় নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা বাড়ানোর বিষয়টি উঠতে পারে। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ জানিয়েছেন, অতিরিক্ত হজযাত্রীদের সুযোগ দিতে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা করে বাড়তি কোটা পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।