সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নতুন পে-স্কেল চলতি বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও পর্যালোচনা ও আলোচনা প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পে-কমিশনের প্রতিবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা চলছে। বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে, তবে আরও কিছু বিষয় পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

নবম পে-স্কেল চলতি বছরের মধ্যে কার্যকর হবে কি না— জানতে চাইলে আমির খসরু বলেন, “এ বছরের মধ্যেই হবে, অবশ্যই হবে।”

তিনি জানান, শুধু পে-কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সমন্বয় করে নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “একটু একটু।”

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আগে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বাজেটের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব, মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি এবং সরকারি ব্যয়ের ভারসাম্য বিবেচনা করা হচ্ছে।

সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা চলছে। পে-কমিশনের সুপারিশ, সংশ্লিষ্ট কমিটির মতামত ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হবে।