জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার হওয়া ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন (৬৮) নামে এক বৃদ্ধকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বকশীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে তাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষে তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মন তাকে গ্রহণ করেন।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া-কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন এবং পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর ভাইকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্ত এলাকার শূন্যরেখা থেকে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই গ্রাম থেকে তিনি নিখোঁজ হন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। কীভাবে তিনি সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে পরিবারের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

এর আগে বুধবার বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর সীমান্ত পিলারসংলগ্ন এলাকায় তাকে দেখতে পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে বিজিবি সতর্ক অবস্থান নেয়। পরে বৃহস্পতিবার তাকে শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করে আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, “বিজিবি উদ্ধার করার পর ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে থানায় হস্তান্তর করে। তার পরিচয় যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় তার অবস্থানের বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।