ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকি পরিষ্কার করতে নেমে চার শ্রমিক মারা গেছেন।

বুধবার সোয়া ৪টার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামের আলী মিয়ার বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে আলী মিয়ার নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংকির পাইপ ফিটিংয়ের কাজ করার জন্য ট্যাংকির ভেতওে নামে নির্মান শ্রমিক আরমান মিয়া-(১৪), ইমাম হোসেন-(১৫), হৃদয় মিয়া-(১৫) ও মেহেদী হাসান-(১৮)।

ট্যাংকিতে নামার পর তাদের কারোরই কোন সাড়া-শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বাড়ীর মালিক সহ স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ এসে একে এক করে ৪জনের লাশ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে মৃতদের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। নিহতের স্বজনসহ স্থানীয়রা এ ঘটনার জন্য নির্মাণাধীন বাড়ীর মালিক আলী মিয়াকে দায়ি করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সরাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার রিয়াজ মোহাম্মদ জানান, সেপটিক ট্যাংকির ভেতর বিষাক্ত মিথেন গ্যাসে আক্রান্ত এবং অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তাদেও লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের বলেন, সেপটিকজ ট্যাংকি থেকে ৪ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের লাশ ময়নাতদন্ত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার পর পরই বাড়ির মালিক আলী মিয়া পলাতক রয়েছে।