চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য মনোনীতদের তালিকায় থাকতে পারেন, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন বৃহস্পতিবার জানান, ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭ জন প্রার্থী বিবেচনায় রয়েছেন। এর মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার নতুন প্রার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
তিনি বলেন, প্রতি বছর মনোনয়ন তালিকায় নতুনত্ব লক্ষণীয়। বৈশ্বিক সংঘাত বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শান্তি পুরস্কারের গুরুত্ব আগের তুলনায় আরও বেড়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের দাবি, কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের কয়েকজন নেতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম মনোনয়নের জন্য প্রস্তাব করেছেন। তবে এই মনোনয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে কিনা, তা যাচাইয়ের সুযোগ নেই। কারণ, নোবেল মনোনয়ন প্রক্রিয়া ৫০ বছর পর্যন্ত গোপন রাখা হয়।
নোবেল কমিটির পক্ষ থেকেও ট্রাম্পের মনোনয়ন নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কাউকে মনোনীত করা মানেই পুরস্কার পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়; এটি কেবল একটি প্রাথমিক প্রক্রিয়া।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিতে পারেন বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, পূর্ববর্তী বিজয়ীসহ বহু যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
এদিকে সম্ভাব্য বিজয়ীদের তালিকায় আরও যেসব নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন প্রয়াত রুশ বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া, পোপ লিওসহ সুদানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইমারজেন্সি রেসপন্স রুমস’।
