বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (এম-১১) এবং একজন বিশিষ্ট চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি চিকিৎসা ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় শনিবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বিএসএমএমইউ কেন্দ্রীয় মসজিদে। পরবর্তীতে বিকেল ৫টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।গতকাল রবিবার সকাল ১১টায় তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার সালটিয়া ঈদগাহ মাঠে সর্বশেষ জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তিনি ১ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এ সময় গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুন
তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করেন, যা উপস্থিত জনতার মধ্যে গভীর আবেগের সৃষ্টি করে।

তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিকিৎসা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি ডাঃ মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জিয়া পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ আঃ কুদ্দুস,মহানগর জিয়া পরিষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,জেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শেখ ইউসুফ লিটন,কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম,জেলা জিয়া পরিষদের সহ সভাপতি এমএ আউয়াল,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আছিফ মোহাম্মদ হামজা তালুকদার,মহানগর জিয়া পরিষদের সহ সভাপতি আঃ রউফ,এনামুল হক,আমিরুল ইসলাম মল্লিক,সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তরফদারসহ বিভিন্ন মহল গভীর শোক প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমের সকল গুনাহ মাফ করে তাকে জান্নাতবাসী করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন। আমিন।