ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সংলাপ চুক্তি ছাড়াই শেষ হলেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করছে না তেহরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু নীতিগত পরিবর্তন ঘটলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব।
রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সার্বভৌম অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় এবং একপাক্ষিক চাপ প্রয়োগের নীতি থেকে সরে আসে, তবে আলোচনার ইতিবাচক ফল আসতে পারে। তিনি আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদের ধৈর্য ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেন।
ইসলামাবাদে প্রায় একদিনব্যাপী চলা এই বৈঠককে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হলেও, পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার—এই তিনটি ইস্যুতে গভীর মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অবস্থান একদিকে যেমন কূটনৈতিক দরজা খোলা রাখার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর রাজনৈতিক ও কৌশলগত চাপ তৈরির প্রচেষ্টাও প্রতিফলিত করে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষই সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে আলোচনার পথ ধরে এগোতে আগ্রহী বলে মনে হলেও, আস্থার ঘাটতি এখনো বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।
এমন বাস্তবতায়, পরবর্তী সংলাপগুলোতে আংশিক সমঝোতা কিংবা ধাপে ধাপে অগ্রগতির সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা করছেন পর্যবেক্ষকরা।
