গাইবান্ধা সদর উপজেলা মডেল স্কুল এন্ড কলেজের পাশে বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি চলছে। ঠিক এমন সময়ে বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি চলছে যখন স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষার ঠিক পূর্ব্ মুহুর্ত্। যথন বিদ্যুৎ লোডশেডিং কমাতে বিপনী বিতাণগুলো সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধ করা হচ্ছে। নভেম্বর ডিসেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। বিভিন্ন মাদ্রাসা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তাদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থার মধ্যেই সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে। এর প্রতিবাদে গাইবান্ধার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিও এই বাণিজ্য মেলা বন্ধে প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দিয়েছে। গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে গানাসাস মার্কেটের সামনে বুধবার এনসিপি- পৌর কমিটির আয়োজনে মানববন্ধন কর্ম্সূচীর মধ্য দিয়ে মেলা বন্ধের আল্টিমেটাম দেয়া হয়।
বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং উক্ত স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীসহ গাইবান্ধার সকল শিক্ষার্থীদের স্বার্থ্ বিবেচনা করে লোডশেডিংয়ের ফাঁদ তৈরি করে বাণিজ্য মেলা চলতে পারে না। বক্তারা আরও বলেন, গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির আড়ালে একটি অসাধু চক্র অধিক মুনাফা লাভের জন্য এই বাণিজ্য মেলার আয়োজন করছে। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এই বাণিজ্য মেলার সব আয়োজন বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় এনসিপি বৃহত্তর আন্দোলন শুরু করবে বলে প্রশাসনকে হুশিয়ারি দেন।
এনসিপি পৌর কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস, জেলা কমিটির আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদি, সদস্য সচিব রাহাত ইবনে শহীদ, এনসিপি নেতা শফিউল আযম প্রমুখ।
গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির সভাপতি মো. সামিউল হুদা সুমেল জানান, সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাণিজ্য মেলা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।