সমাজ বিনির্মানে স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ হয়তো স্কুল থেকে অবসর নিয়েছেন, কিন্ত সমাজ বিনির্মানে ওনাদের মেধা ও মননশীলতা থেকে তো অবসর নেননি। ওনারা সমাজ বিনির্মানে গুরুত্বপুর্ন ভুমি রেখে চলেছেন। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটিতে সভাপতি রাখার জন্য আহবান জানাই। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে মাধ্যমিক পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ২৫জন শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বজলুর রহমান আনসারী। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক এবং সঞ্চালনা করেন, শিক্ষক মোজাম্মেল হক ও আশরাফুল উলুম।

এ ছাড়া দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভ‚ঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন মাস্টার, উপজেলা বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান, দুর্গাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেছ গণি সহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, একজন সফল মানুষের পিছনে একজন শিক্ষকের যে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা থাকে, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। একজন শিক্ষক শুধু শিক্ষাদানই করেন না; তিনি একজন শিক্ষার্থীকে জীবনে চলার পথে সঠিক পরামর্শ দেন, ব্যর্থতার সময়ে পাশে দাঁড়িয়ে উৎসাহ দেন এবং সাফল্যের দিনে নতুন লক্ষ্য স্থির করে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে ওঠার পরামর্শ দেন।

তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষক একটি প্রজন্মের চিন্তা, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেন। তাঁদের দীর্ঘদিনের শ্রম ও অভিজ্ঞতা সমাজ ও শিক্ষাক্ষেত্রে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকে যে শিক্ষকগণ অবসরে যাচ্ছেন তাদের প্রতি রইলো আমার শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। সেইসাথে আমার পিতৃতুল্য সকল শিক্ষকদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। সেইসাথে সমাজে সকল কাজে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা করার জন্য উপজেলা প্রশাসন ও দলীয় সকল নেতাকর্মীদের আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।