কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে দেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন উদ্যোগ গভীর সমুদ্রবন্দর, ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর মহেশখালীতে এটিই তাঁর প্রথম সফর।
রোববার সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে তিনি মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হন।
মাতারবাড়িতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও মিডার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় বাস্তবায়নাধীন ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও মহেশখালীকে ঘিরে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন।
পরে তিনি প্রকল্প এলাকায় একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দলের নেতারা।
মাতারবাড়িকে ঘিরে গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পাঞ্চল ও জ্বালানি অবকাঠামোর মতো একাধিক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মহেশখালীকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে পরিণত করার পাশাপাশি কক্সবাজার ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।