কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আল উদেদ এয়ার বেসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এটি তাদের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযানের অংশ।

আইআরজিসির দাবি, হামলায় ঘাঁটির একটি দীর্ঘপাল্লার রাডার ব্যবস্থা এবং কয়েকটি কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীন বা আন্তর্জাতিকভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

Advertisement

বিবৃতিতে ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র বা তাদের মিত্র দেশগুলো যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখে, তাহলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। বিশেষ করে বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

অন্যদিকে কাতার জানিয়েছে, তাদের সশস্ত্র বাহিনী আকাশপথে আসা হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। তবে আকাশে ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি শিশু আহত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কাতার এখন পর্যন্ত ইরানের দাবি করা সামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, একই অভিযানে কুয়েত, বাহরাইন, ওমান, সিরিয়া ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে এসব দাবিও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সর্বশেষ এই পাল্টাপাল্টি হামলার দাবিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।