ফেনী সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে সতর্কাবস্থায় ৪ বিজিবি। বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সর্বদা পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত দিয়ে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন)-এর আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেনী ব্যাটালিয়ন দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে। এ প্রেক্ষিতে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি, সকল বিওপি ও টহল দলকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। যাতে সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যক্রম সংঘটিত হতে না পারে।
বিজিবি সুত্র আরো জানান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। একইসাথে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, বিশেষ অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহভাজন পয়েন্টসমূহে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকদ্রব্য, গবাদিপশু, ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সকলকে যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সীমান্ত অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান, টহল ও নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ফেনী ব্যাটালিয়ন ৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান।