শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে জিটিভি’র শেরপুর জেলা সাংবাদিক মনিরকে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে মালেক ড্রাইভার ও হাতেম আলী নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন সাংবাদিক মনির। তাঁর প্রতিবেশীরাও অভিযোগটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে নালিতাবাড়ী শহরের বাজারের ছিটপাড়া এলাকা থেকে একটি মাদকবিরোধী মিছিল বের হয়। মিছিলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ কয়েকজন এলাকাবাসী অংশ নেন।

অভিযোগ রয়েছে, মিছিল শেষে মালেক ড্রাইভার ও হাতেম আলী সাংবাদিক মনিরকে জড়িয়ে বক্তব্য দেন। পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এতে সাংবাদিক মনিরের বিরুদ্ধে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিক মনির বলেন, “আমি আমার ভাইকে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে নিজেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। বিভিন্ন সময়ে নিজের এলাকার নানা ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন করার জের ধরে কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ তারা এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে পারেনি।”

তিনি আরও দাবি করেন, স্থানীয় বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

এদিকে সোমবার(২ নভেম্বর) সরজমিনে গেলে সাংবাদিক মনিরের প্রতিবেশীরা জানান, মনির অত্যন্ত দায়িত্বশীল একজন মানুষ। সাংবাদিকতার পাশাপাশি এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়নেও তাঁর ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। তাঁকে নিয়ে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার যে প্রচার চালানো হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তাঁরা।

প্রতিবেশীরা আরও বলেন, “তিনি যদি এসব কাজে জড়িত থাকতেন, তাহলে অবশ্যই আমরা জানতাম। কারণ, আমরাই তাঁর সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী।”

তবে এ বিষয়ে মালেক ড্রাইভার ও হাতেম আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রচারের ক্ষেত্রে তার সত্যতা যাচাই ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।