চিকিৎসা কেবল রোগ নিরাময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; রোগীর প্রতি সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ এবং আন্তরিক আচরণও একজন চিকিৎসকের পেশাগত সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন, সহকারী অধ্যাপক ডা. নাহিদ সুলতানা কমলা রোগীদের একটি অংশের কাছে এমনই একজন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আছিম পাটুলী ইউনিয়নের বাসিন্দা ডা. নাহিদ সুলতানা কমলা বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি দায়িত্ব শেষে তিনি ময়মনসিংহ শহরের চরপাড়ায় একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। এছাড়া প্রতি শুক্রবার নিজ এলাকার চেম্বারেও রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।
রোগী ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি ধৈর্যের সঙ্গে রোগীদের কথা শোনেন, রোগ সম্পর্কে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা দেন এবং চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে রোগীরা চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিকভাবে আশ্বস্ত হন বলে তারা জানান।
ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী সোমা আক্তার বলেন, “ডা. নাহিদ সুলতানা কমলা অত্যন্ত আন্তরিক একজন চিকিৎসক। তিনি রোগীদের পরিবারের সদস্যের মতো আচরণ করেন, যা চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।”
এক রোগীর স্বজন এস. তরফদার বলেন, “তিনি রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তাঁর নম্র ও আন্তরিক আচরণ রোগীদের মানসিকভাবে শক্তি জোগায়।”
ডা. নাহিদ সুলতানা কমলা বলেন, “রোগীর সেবাই আমার প্রথম দায়িত্ব। সরকারি দায়িত্ব পালনের পর সময় পেলে চেম্বারে রোগী দেখি। বিশেষ করে অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের রোগীদের স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।”
সহকর্মীদের মতে, তিনি চিকিৎসাকে কেবল একটি পেশা হিসেবে নয়, মানবসেবার দায়িত্ব হিসেবেই দেখেন এবং রোগীর আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে চিকিৎসার প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দেন।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করেন, পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক আচরণের কারণে ডা. নাহিদ সুলতানা কমলা রোগীদের একটি বড় অংশের আস্থা অর্জন করেছেন।
