নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মাদক সেবনকে নিষেধ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পদমশ্রী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে স্বর্ণা আক্তার (১৩) নামের এক শিশু গুরুতর আহত হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন শামছুদ্দিন, রহুল মিয়া, মতি মিয়া, শাওন মিয়া, হালেম মিয়া, মিজান মিয়া, শফিউল হক, জানামুল, জান্নাত আক্তার, হাফিজুল, অলি আক্তার ও রাহেলা আক্তার।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পদমশ্রী গ্রামের শামীম মিয়ার ছেলে সানি একই এলাকার রেজ্জাক মিয়ার ছেলে পাশা ও জয়কে হাওরপাড়ে মাদক সেবনের সময় দেখতে পান। এ সময় তিনি তাদের নিষেধ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি এবং পরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই জেরে পরদিন (মঙ্গলবার) দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে এই আহতের ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানির চাচা মিজানুর রহমান ও হাফিজুল দাবি করেন, তাদের পক্ষের লোকজন মাদক সেবন ও অশালীন আচরণে বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।

অন্যদিকে রেজ্জাক মিয়ার পক্ষের জোবায়ের হোসেন দাবি করেন, দুই দিন আগের একটি মারামারির ঘটনার জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে; মাদক সংক্রান্ত কোনো ঘটনা ছিল না।

এ বিষয়ে মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অসীম কুমার বলেন, “আমি বর্তমানে নেত্রকোনায় আছি। ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে, বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।”

ছবি সংযুক্ত: পদমশ্রী গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আহতদের উদ্ধার কার্যক্রম।