পটুয়াখালীর বাউফলে আলোচিত লোহালিয়া নদীর উপর বগা সেতু নির্মাণের সম্ভব্যতা যাচাইয়ে এসে জামায়াত ও নিএনপি সমর্থকদের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ওই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে, বাউফল-ঢাকা সংযোগ সড়কে বগা পয়েন্টের লোহালিয়া সেতু (প্রস্তাবিত ৯ম চিন মৈত্রী সেতু) নির্মাণে স্থানীয়দের মাধ্যে ব্যাপক উদ্দিপনা কাজ করছে বহু বছর ধরে। জনগনের দাবির প্রেক্ষিতে সম্ভব্যতা যাচাইয়ে আসেন মাননীয় সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছেন মন্ত্রীর গাড়ি বহর। সেতুর অপর তীরে গাড়ি রেখে ফেরীতে বাউফল সীমানায় প্রবেশ করেন। এসময় জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণ মহানগর সেক্রেটারী ও বাউফলের সাংসদ শফিকুল ইসলাম মাসুদের করা মঞ্চে মন্ত্রী উঠতে চাইলে দলীয় নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। এতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসময় রাস্তায় দাড়িয়ে বিএনপি নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা মাসুদকে লক্ষ্য করে ভুয়া, ভুয়া এবং ‘রাজাকারের দিন শেষ, তারেক জিয়ার বাংলাদেশ’ শ্লোগান দিতে থাকেন। এসময় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ও সমর্থকরা নানা শ্লোগান দিতে থাকেন। ব্যানারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার না করায় ওই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
পরে রাস্তায় দাড়িয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে একই ফেরিতে পাড় হয়ে অপর তীরে যাওয়ার সময় ফেরির ভিতরেই উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহতির ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতা আপেল মাহামুদ ফিরোজ বলেন, মঞ্চ করা হয়েছে সেখানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি না ব্যবহার করে শফিকুল ইসলাম মাসুদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী সকলের দলের প্রধানমন্ত্রী। সেতু নির্মাণ নিয়ে কোন ধরনের রাজনীতি না করে বাস্তবায়নে সকল দলের সহোযোগিতা থাকা উচিৎ। ওই সেতুটি আমাদের তিন উপজেলার ১৫লাখ মানুষের প্রানের দাবি