নওগাঁর মান্দা উপজেলার ২ নম্বর ভালাইন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. আবুল কালাম আজাদ। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, হ্যান্ডবিল বিতরণ এবং ভোটারদের সমর্থন কামনা করছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় সম্ভাব্য নির্বাচনী ইশতেহার সংবলিত হ্যান্ডবিল বিতরণ করে এলাকার মানুষের কাছে নিজের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। এর আগের দিন শুক্রবারও তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালান।

আবুল কালাম আজাদ মান্দা উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এবং ভালাইন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গণসংযোগকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভালাইন ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ইউনুছ আলী, সাধারণ সম্পাদক রওশন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, প্রচার সম্পাদক সালেহ আহম্মেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল ও আতাউর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনিছার রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

প্রচারণায় বিতরণ করা হ্যান্ডবিলে আবুল কালাম আজাদ ইউনিয়নে সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, টেকসই উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গঠন এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

একটি শান্তিপূর্ণ, অসাম্প্রদায়িক, পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আগামী নির্বাচনে এলাকাবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তার নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে সামাজিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা। হ্যান্ডবিলে উল্লেখ করা হয়েছে, “ভেদাভেদ নয়, ঐক্য ও সম্প্রীতিই হোক মূল শক্তি” এবং “হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়ন চাই।”

এ ছাড়া, “আপনাদের দোয়া ও সমর্থনই আমার আগামী দিনের পথচলার শক্তি”—এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

এদিকে, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা ও গণসংযোগ ঘিরে ভালাইন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ছে। তবে নির্বাচনের তফসিল ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।