বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, নবীণ বরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হল মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবাগত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের (লেভেল ১, সেমিস্টার ১) শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং মেধা তালিকায় শীর্ষে থাকা হলের বিভিন্ন বর্ষের ২৮ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন সরকারি চাকুরিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবস্থানের জন্য ১৪ জন আবাসিক শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয় এবং খেলাধূলায় কৃতিত্ব রাখার জন্য ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সোনালী দলের নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, সোনালী দলের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম, বাকৃবির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের হাউজ টিউটর আবু হানিফ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এ এম সোয়াইব, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম, মো. নুরনবী হোসেন, মো. তায়েফ মাহমুদ, মো. মিজবাউল হক মিজুসহ শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং হলের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সভাপতিত্বের বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা তার দীর্ঘ দুই বছরের কর্ম পরিধি সম্পর্কে জানান এবং হলের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, নবাগত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে স্বাগত জানিয়ে তিনি নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চাও একজন শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই হলের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে মেধা তালিকায় স্থান করে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করছে যা হল প্রশাসনের যথাযথ তত্ত্বাবধানেরই প্রতিফলন। শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা ও একাডেমিক পরিবেশ আরও উন্নত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে।