শিক্ষকদের মর্যাদাহানিকর ধারা বাতিলের দাবিতে আজ ১৬ই আগস্ট দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) গাইবান্ধা জেলা শাখা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধাতেও ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর কতিপয় ধারার প্রতিবাদে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
বাকবিশিস গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক নেয়ামুল আহসান পামেলের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ফিরোজ কবির, সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল চক্রবর্তী, সহকারী অধ্যাপক আসাদ সরকার, প্রভাষক আব্দুল মাজেদ মিয়া ও প্রভাষক রাজু চৌহান।
স্মারকলিপিতে ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর কতিপয় ধারা পুনর্বিবেচনা এবং একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে পর্যালোচিত ‘সরকারি পরীক্ষা (অপরাধসমূহ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর কতিপয় ধারা শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য অত্যন্ত কঠোর এবং কিছু ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, পূর্ববর্তী আইনের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা পুনর্বিন্যাস করা হলেও কতিপয় বিধান ‘ডিউ প্রসেস অব ল’ এবং পেশাগত মূল্যায়নের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রস্তাবিত এই কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষকদের জীবন, পেশাগত মর্যাদা এবং শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।