ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মোছা. মাহমুদা খাতুন নামে এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হালুয়াঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর ভুবনকূড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরখাকুড়া এলাকায় মাহমুদা খাতুনের বসতবাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাহমুদা খাতুনের অভিযোগ, জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মোছা. ছনিয়া আক্তারের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মো. রাওছা, মো. রুবেল, মো. ইস্রাফিল, মোছা. শিরিনা আক্তার ও মোছা. মুর্শিদা বেগম লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে মো. রুবেলের নির্দেশে মো. রাওছা লোহার রড দিয়ে তার বাম চোখ লক্ষ্য করে আঘাত করেন। মুখ সরিয়ে নেওয়ায় আঘাতটি বাম কান ও চোখের মাঝামাঝি স্থানে লেগে তিনি রক্তাক্ত জখম হন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া মো. ইস্রাফিল লোহার রড দিয়ে তার বুকের ডান পাশে আঘাত এবং মোছা. মুর্শিদা বেগম লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাকে মাটিতে ফেলে দেন বলে অভিযোগ করেন মাহমুদা। পরে তাকে কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মোছা. শিরিনা আক্তার বসতঘরে প্রবেশ করে ট্রাংকে রাখা জমি বিক্রির দুই লাখ টাকা নিয়ে যান। পাশাপাশি মাহমুদা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

হামলায় আহত মাহমুদা খাতুনকে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ছোট বোন মোছা. হাফসা আক্তারের মাধ্যমে থানায় লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ ফেরদৌস আলম বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।