গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ডাকবাংলা বাজারস্থ ঝাড়াবর্ষা মৌজায় অ্যাড. জিল্লুর রহমান একই উপজেলার থৈকরেরপাড়া এলাকার সাবেক সেনা সদস্য আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে আড়াই শতক জমি ক্রয় করেন। ওই জমি ক্রয়ের পর থেকেই আশরাফুলের স্ত্রী ক্রেতার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে নানা অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। এ ঘটনায় জমি বিক্রেতা আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আশরাফুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি সেনাবাহিনীতে চাকরিকালীন সময়ে তার সঞ্চিত অর্থ দিয়ে সাঘাটা ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ডাকবাংলা বাজারস্থ ঝাড়াবর্ষা মৌজায় ৫ শতক জমি ক্রয় করেন। পরে তিনি স্ত্রী সানজিদা শেলী শাপলার যৌথ সিদ্ধান্তে ক্রয় করা আড়াই শতক জমির ওপর তিনতলা ভবন নির্মাণ করে পরিবার সহ বসবাস করছেন।
কিন্তু হঠাৎ আশরাফুল অসুস্থ হওয়ায় টাকার বিশেষ প্রয়োজন হলে পার্শ্ববর্তী এলাকার অ্যাড. জিল্লুর রহমানের কাছে তিনতলা ভবনসহ গত ৮ এপ্রিল রেজিস্ট্রিকৃত দলিল মূলে আড়াই শতক জমি বিক্রি করেন। জমি বিক্রির পর স্ত্রী শাপলা ও শ্বশুর শাহাদুজ্জামান সাজু এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে ওই ভবনসহ জমির দখল অ্যাড. জিল্লুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। জমি বিক্রয়ের পর থেকে স্ত্রী শাপলা ক্রেতা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অপবাদ দিয়ে অপপ্রচার শুরু করেন।
একপর্যায়ে সানজিদা শেলী শাপলা গত ৮ মে ওই ভবন ও জমির দেখভালের জন্য জিল্লুর রহমানের নিয়োগ করা কেয়ারটেকার আসাদুজ্জামানকে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় এ নিয়ে আসাদুজ্জামান গত ২০ মে সাঘাটা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা (৬৭/২০২৬) দায়ের করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করলে শাপলা স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।
আশরাফুল ইসলাম আরও জানান, তার সহধর্মিনী শাপলা জমির ক্রেতা অ্যাড. জিল্লুর রহমানের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য সম্বলিত নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আশরাফুল সহ এলাকার লিয়াকত আলী, আসাদুজ্জামান পারভেজ প্রমুখ।