দেশের চার জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৃথক ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ এবং নোয়াখালী জেলায়। এ সময় কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জে, যেখানে তিনজন করে নিহত হয়েছেন।

নেত্রকোণা-র খালিয়াজুরীতে পৃথক ঘটনায় মাছ ধরতে গিয়ে এক জেলে এবং ধান কাটার সময় দুই কৃষক বজ্রপাতে মারা যান। নিহতরা হলেন আব্দুল মোতালিব, মোনায়েম খাঁ পালান এবং শুভ মন্ডল। পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ-এর বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে তিন কৃষকের মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আহত হন আরও তিনজন। নিহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।

হবিগঞ্জ-এ পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নবীগঞ্জে জমিতে কাজ করার সময় এবং বানিয়াচঙ্গে বাড়ির পাশে ধান আনতে গিয়ে তারা বজ্রপাতে প্রাণ হারান।

অন্যদিকে নোয়াখালী-র হাতিয়ায় বাদাম আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান এক যুবক। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারের আবেদনের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটেছে খোলা মাঠ, হাওর বা কৃষিজমিতে কাজের সময়, যা বজ্রপাতজনিত ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মৌসুমি অস্থিরতার মধ্যে খোলা স্থানে অবস্থান, বিশেষ করে বজ্রঝড়ের সময় কৃষিকাজ বা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জরুরি। স্থানীয় প্রশাসনও ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।