ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য মারুফা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীকে তার স্বামী হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার সকালে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাসার গ্রামের ওই নারীর বসত ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর থেকেই ঘাতক স্বামী কুদ্দুস মিয়া পলাতক রয়েছে। মারুফা আক্তার তার তৃতীয় স্ত্রী। গত এক মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। নিহত মারুফা সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের তাহের মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কুদ্দুস একজন মাদকসেবী। সে প্রায়ই নেশা করে তার স্ত্রীকে মারধর করত। গত রোববার রাতেও কুদ্দুস তার স্ত্রীর কাছে টাকা চায়। মারুফা টাকা দিতে অনীহা করলে কুদ্দুস তাকে মারধর করে। সোমবার সকাল থেকে ঘরের ভেতর মারুফার কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে স্থানীয়রা মোবাইল ফোনের রিং টোনের শব্দ শুনে ঘরের ভেতর ঢুকে মারুফার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায়। পরে নিহতের পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মারুফার লাশ উদ্ধার করে। পরিবারের অভিযোগ, মাদকাসক্ত স্বামী কুদ্দুস মিয়া নেশার টাকার জন্য মারুফাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল আলম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
