চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী দ্রুতগামী আনন্দ পরিবহন বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সিএনজিচালক ও দুই নারী যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।

​মঙ্গলবার (২২সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে চাড়ুয়া মসজিদ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

​দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—সিএনজিচালক তাজুল ইসলাম কালু (৪০), যাত্রী সালমা আক্তার (১৯) ও মেহজাবিন আক্তার (২২)। আহত চালক তাজুল ইসলাম কালু ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে। এছাড়া আহত যাত্রী সালমা আক্তার কাছিয়াড়া এলাকার ইয়াসিন খানের মেয়ে এবং মেহজাবিন আক্তার লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরপক্ষিয়া এলাকার দিদার হাওলাদারের মেয়ে।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেলে গৃদকালিন্দিয়া বাজার সংলগ্ন চাড়ুয়া মসজিদের সামনে পৌঁছালে আনন্দ বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজি অটোরিকশাটির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং চালকসহ তিন আরোহী রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন।

​পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর আহত তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

​এদিকে দুর্ঘটনা ঘটিয়েই আনন্দ বাসের চালক ও হেলপার গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও সিএনজি অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

​এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ জানান, সড়ক দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাস ও অটোরিকশাটি জব্দ করেছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।