ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার ধর্মপুর এলাকায় কুয়েতপ্রবাসী এক নারীকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে তার দূরসম্পর্কের ভাগিনা আরিফকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে র‌্যাব। সংস্থাটির দাবি, ঋণের টাকা পরিশোধের উদ্দেশ্যে ডাকাতির পরিকল্পনা করেই তিনি ওই নারীর বাড়িতে প্রবেশ করেছিলেন। ডাকাতির সময় বাধার মুখে পড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।

র‌্যাব-৭ ফেনি ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মেজর মিজানুর রহমান এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি র‌্যাবের।

র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত আরিফ ঋণের চাপ থেকে মুক্তি পেতে কুয়েতপ্রবাসী আত্মীয় কুলসুমা আক্তার কাজলের বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী বাধা দিলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে আরিফ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কুলসুমা আক্তার কাজল।

পরে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য স্থানীয় লোকজন ঘর থেকে বের হলে আহত নারীর গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে অভিযুক্ত ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব আরও জানায়, ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান আছে।