ভালুকায় বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং এ জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ক্ষোভে ফুসেঁ উঠেছে বিদুৎ সুবিধাভোগীরা। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিদুৎ ব্যবহারকারী ক্ষুদ্র শিল্প কমে গেছে উৎপাদন।
বিদুৎ সুবিধাভোগীরা জানান,ভালুকা সদরসহ উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বেড়ে গেছে বিদুতের লোড শেডিং। একবার বিদ্যুৎ গেলে আসার খবর নেই। ২৪ ঘন্টার তিন ভাগের দুইভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকেনা। বেশী দুর্ভোগে গ্রামাঞ্চলের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা। পল্লিবিদুৎ একবার চলে গেলে আসার কোন খবর থাকে না। ্ এতে প্রচন্ড গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। পাশাপাশি, বিদ্যুতের অতিরিক্ত লোড শেডিংএর কারণে ব্যহত হচ্ছে স্থানীয় ক্ষুদ্র শিল্পের উৎপাদন।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার আকমল হোসেন জানান, ময়মনসিংহ পল্লিবিদুৎ সমিতির মোট বিদুতের চাহিদা রয়েছে ২ শত ৯০ মেগাওয়াট। গ্রাহকরা পাচ্ছেন ২ শত ১০ থেকে ২ শত ১৫ মেগাওয়াট। ভালুকা ও গফরগাঁও,শ্রীপুর,কাপাসিয়া ও ত্রিশাল উপজেলায় সমিতি ভুক্ত মোট গ্রাহক সংখ্যা ৫ লাখ ২০ হাজার। আবাসিক ৪ লাখ ৮৫ হাজার,বাণিজ্যিক ২৫ হাজার ৫ শত, শিল্প ৫ হাজার ২শত এবং সেচে ৪ হাজার ১শত গ্রাহক রয়েছে। শুধু ভালুকা ও গফরগাঁও উপজেলায় গ্রহকদের বিদুতের চাহিদা রয়েছে ১ শত ৬০ মেগাওয়াট। কিন্তু গ্রাহরা পাচ্ছেন ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদুৎ।
বর্তমানে বিদুতের ঘারতি থাকায় লোডসেডিং বেড়ে গেছে। পিডিবি ভালুকা কার্যালয় সুত্র জানায়, তাদের মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। ৮০% আবাসিক গ্রাহক,বাকি ২০% অন্যান্য গ্রাহক। ভালুকা উপজেলায় গ্রাহকদের চাহিদা রয়েছে ২০ মেগাওয়াট। গ্রাহক পাচ্ছেন ১২ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদুৎ।
বিপিডিবি ভালুকা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ জানান, চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং করে চালাতে হচ্ছে।