কক্সবাজারের রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের টেংগাডেবা রাবেতা (কালারপাড়া) এলাকায় ছৈয়দ হোছন (৪৯) নামে এক ব্যক্তির রহস্যাবৃত
মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক কৌত‚হল, উৎকণ্ঠা ও নানা জল্পনা কল্পনার জন্ম নিয়েছে।
নিহতের স্বজনরা এ ঘটনাকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মেনে নিতে নারাজ। তারা মৃত্যুর পেছনে পরিকল্পিত হত্যাকাÐের আশঙ্কা প্রকাশ করে নিহতের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোররাতে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করলে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহত ছৈয়দ হোছন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোজাফফরের পুত্র এবং তিন সন্তানের জনক।

নিহতের স্বজনদের দাবি, মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়েছে, যা মৃত্যুকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে নিহতের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম এবং তাদের দুই সন্তানকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইয়ের সারা শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি, পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানান তিনি।

নিহতের বড় ভাই আব্দুস ছালাম বলেন, আমার ভাই দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে আমাদের এক আত্মীয়ের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ কারণে আমরা ঘটনাটিকে সন্দেহের চোখে দেখছি এবং এর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত দাবি করছি।

এদিকে,মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাহুল রায় বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।