র‍্যাব থাকবে কিনা বা এর নাম পরিবর্তন হবে কিনা—এ ধরনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের নীতিনির্ধারণের বিষয় বলে জানিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-এর মহাপরিচালক আহসান হাবীব। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা এখনও রয়েছে।

রাজধানীর কাওরান বাজার-এ অবস্থিত র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

র‍্যাবের সম্ভাব্য পুনর্গঠন বা সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয় সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আওতাভুক্ত। এ নিয়ে বাহিনীর পক্ষ থেকে আলাদা কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং বর্তমান অগ্রাধিকার পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে মহাপরিচালক জানান, এ ধরনের অভিযোগ উঠলে তা অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করা হয় এবং দায় প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তার মতে, ধারাবাহিক জবাবদিহিতা ও সংশোধনমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে অভিযোগ কমিয়ে আনা সম্ভব।

র‍্যাবের কাঠামো নিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি বিশেষায়িত ইউনিট, যা মূলত পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করে। বাহিনীটিকে আরও পেশাদার, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ক্রসফায়ার সংক্রান্ত মামলার নথি সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি জানান, আইনগত প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সংস্থাকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। তবে যে তথ্য সংস্থার কাছে নেই, সে বিষয়ে যথাযথভাবে অবহিত করা হবে।

র‍্যাবকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সমালোচনা ও নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, অতীতে কিছু বিচ্যুতি থাকতে পারে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কার্যক্রমে পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেন তিনি এবং ভবিষ্যতে ইতিবাচক ধারাবাহিকতার মাধ্যমে আস্থা পুনর্গঠনের আশা প্রকাশ করেন।