জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান নাদিয়া পাঠান পাপন বলেছেন, “রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকার করা নেতা-কর্মীদের পাশে থাকতে পেরে আমি গর্বিত। আপনাদের ত্যাগ ও সংগ্রামের ফলেই নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।”

বুধবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় নবীনগর উপজেলার কারানির্যাতিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি বলেন, “দলের দুঃসময়ে যারা ভঙ্গুর সংগঠনকে আগলে রেখেছেন এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছেন, তাদের অবদান কখনোই ভোলার নয়। আপনাদের কষ্ট ও ত্যাগের মূল্য দল অবশ্যই দেবে।”

তিনি আরও বলেন, “দল বেঁচে থাকলে আমাদের অস্তিত্বও থাকবে। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। ইতিহাসে বহু বড় নেতাকে সময়ের স্রোতে হারিয়ে যেতে দেখেছি, কিন্তু সংগঠন টিকে থাকলেই আদর্শ টিকে থাকে।”

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের ক্ষতি হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না। সবাই সজাগ থাকবেন এবং ঐক্য ধরে রাখবেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।”

অনুষ্ঠান শেষে প্রথম দফায় নবীনগর উপজেলার ২৯ জন কারানির্যাতিত নেতার হাতে ঈদ উপহার তুলে দেন নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি।

এ সময় আবু সামা সরদার, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন খান, ইমাম হোসেন অনিক, শামীম খান, আলামিন মোল্লা, ইকবাল হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসন এবং কুমিল্লা জেলার পাঁচটি আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের চান্দুরা গ্রামে।

ছবি ক্যাপশন:

নবীনগরের কারানির্যাতিত নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ঈদ উপহার বিতরণ করছেন নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি।